নাইট শিফ্টে কাজ করেন! বিপদ ডেকে আনছেন না তো ?
অফিসে নাইট শিফ্টে অনেকেই কাজ করেন। সারা রাত জেগে একটানা কাজ করে যাওয়া সহজ নয়। তবে দীর্ঘ দিন করতে করতে অভ্যাস হয়ে যায়। কিন্তু শরীরের ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়ে। সারা জীবন রাত জেগে কাজ করার কী ফল হতে পারে, সেটা নিয়ে গবেষণার প্রয়োজন আছে। তবে ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বলছে, পর পর তিন দিন ‘নাইট শিফ্ট’-এ কাজ করলে ডায়াবিটিস, স্থূলতার মতো সমস্যা শরীরে বাসা বাঁধতে পারে।
সারা রাত জেগে একটানা কাজ করে যাওয়া সহজ নয়। তবে দীর্ঘ দিন করতে করতে অভ্যাস হয়ে যায়। কিন্তু শরীরের ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়ে। মানসিক স্বাস্থ্য বিঘ্নিত হয়। থাকতে ঘুম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ঘুমের ঘাটতি হওয়ার ফলে শরীরও দুর্বল হয়ে প়ড়ে।
পুষ্টিবিদেরা জানান, রাত জেগে কাজ করার কারণে নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। হজমের গোলমাল তার মধ্যে অন্যতম। এ ছাড়াও হরমোনজনিত সমস্যাও দেখা দিতে শুরু করে। গ্যাস-অম্বল তো বটেই, রাতভর কাজ করার ফলে ঘন ঘন মেজাজ বিগড়ে যাওয়া একটা বড় সমস্যা। বহু ক্ষেত্রে অনেক কঠিন অসুখের শুরুও হয় এই রাত জেগে কাজ করার ফলে। কিভাবে নিয়ম মেনে চললে রাত জেগে কাজ করেও সুস্থ থাকবেন?
ডা. আবিদা সুলতানার স্বাস্থ্যপরামর্শ বিষয়ক বই কিনুন রকমারি থেকে।
১) রাতে খিদে পেলে কাঠবাদাম, সয়াবিন, চিয়া বীজ, চিনে বাদাম, জাতীয় জিনিস খান। শুকনা মুড়িও ভালো। বেশি খিদে পেলে পোহা বা উপমা জাতীয় খাবার খেতে পারেন। তবে বাইরের খাবার একেবারেই খাবেন না। পিৎজা, বার্গার, বিরিয়ানির মতো খাবার এড়িয়ে চলুন।
২) অনেকেই রাত জেগে থাকার জন্য কাপের পর কাপ চা, কফি খান। এতে কিন্তু শরীর আরও খারাপ হয়। রাত জাগলে এমনিতেই শরীর আর্দ্রতা হারাতে থাকে। ফলে আর্দ্র থাকা জরুরি। তার জন্য ৪৫ মিনিট অন্তর জল বা কোনও এনার্জি ড্রিঙ্ক খেতে থাকুন। গ্রিন টি, হার্বাল টি, লস্যি খেলে ঘুম পাবে না। অতিরিক্ত চা বা কফি এক আধ বার চলতে পারে। নরম পানীয় একেবারেই খাবেন না।
৩) রাত জাগতে হলে দুপুরে রঙিন সবজি খান বেশি করে। সবুজ শাকসবজি হলো অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের সমৃদ্ধ উৎস। এই উপাদান শরীর সতেজ রাখতে সাহায্য করে। টমেটো, গাজর, স্ট্রবেরি, সবুজ শাকসব্জি, লেবু, বেরি জাতীয় ফল এবং সবজি বেশি করে খান।
No comments