উত্তরার গণহত্যায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ
জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর উত্তরায় গণহত্যায় অভিযুক্ত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামসহ ১০ আসামির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
রোববার (৯ মার্চ) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুনানি শেষে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।
তিনি জানান, প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (৯ মার্চ) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল আগামী ১২ মে’র মধ্যে ১০ আসামির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ১২ মে আসামিদের বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন ও মামলার পরবর্তী দিন ঠিক করেছেন আদালত।
সাংবাদিকদের চিফ প্রসিকিউটর জানান, সাবেক মেয়র আতিক ইসলামসহ অন্য আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্টে উত্তরা এলাকায় দুই শতাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ততা ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় দায়ের হওয়া অভিযোগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আতিকুল ইসলামসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে, সকালে সাবেক মেয়র আতিক, আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক শাহিনুর মিয়া, উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার ইসলাম চৌধুরীসহ ১০ জনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
আদালতে আজ রাষ্ট্রেপক্ষের শুনানিতে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর আব্দুস সোবহান তরফদার, মিজানুল ইসলাম, বি এম সুলতান মাহমুদ, গাজী এম এইচ তামিম, শহিদুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার মইনুল করিম ও তারেক আব্দুল্লাহ।
মামলার আসামিরা হলেন- ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিক ইসলাম, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন মণ্ডল, উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টর আওয়ামী লীগের সভাপতি বশির উদ্দিন, মহানগর উত্তরের এক নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন রুবেল, ওসি মশিকুর রহমান, কনস্টেবল হোসেন আলী, এসি জাবেদ ইকবাল এবং ওমর আলী।
এর আগে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আতিকুল ইসলাম এবং আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে ৯ মার্চ আসামিদের বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন ও মামলার পরবর্তী দিন ঠিক করেন আদালত।
No comments